People’s Development Cycle

আশিকা আফরিন:

People’s Development Cycle :

কর্মীদের তত্তাবধান করা ছাড়াও মিডিয়া ম্যানেজার কর্মীদের দীর্ঘ মেয়াদী উন্নয়নের জন্য কাজ করেন। মিডিয়া ম্যানেজারের এরূপ কাজের প্রক্রিয়াকে  people’s development cycle বলে।



People's Development Cycle





1.Hiring :

 কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে উধ্বতন কর্মকর্তাকে সচেতন হতে হবে। ইন্টারভিউ এর মাধ্যমে কর্মীর শক্তি এবং দুর্বলতা কে চিহ্নিত করতে হবে। ইন্টার্ভিউর ক্ষেত্রে মিডিয়া ম্যানেজার এবং অন্যান্য কর্মীদের সফলতা এবং দুর্বলতার তুলনা করেও উপযুক্ত কর্মী নিয়োগ সম্ভব। কর্মী নিয়োগের সময় নৈতিকতার বিষয়টি যাচাই করতে হবে। কারণ, মিডিয়ায় অনেক সংবেদনশীল ব্যাপার রয়েছে যা প্রকাশিত হলে ঐ প্রতিষ্ঠান কে সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে।
hiring এর ক্ষেত্রে কিছু পরামর্শ :


১. কর্মীর আগের ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করতে হবে অর্থাৎ কর্মী আগে যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করতো সেখানে কিভাবে কাজ করতো।

২. কেবলমাত্র ইন্টার্ভিউর উপর ভিত্তি করে কর্মী নিয়োগ না করে কর্মী কে নির্দিষ্ট কাজে কিছু দিনের জন্য নিয়োগ দিয়ে তার যোগ্যতা যাচাই করা যেতে পারে। 
৩. এমনভাবে প্রশ্ন করতে হবে যেন প্রার্থী খোলাখুলি ভাবে জবাব দিতে পারে এবং সহজেই উত্তর দিতে পারে।
৪. প্রার্থীর সামর্থ্যের দিকে বেশি নজর দিতে হবে। প্রার্থীর দুর্বলতা আর যোগ্যতা পাশাপাশি যাচাই করতে হবে।



2. 
Training :
এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এক্ষেত্রে মিডিয়া প্রতিষ্ঠান সেমিনার আয়োজন করে এবং কর্মীদের ঐ সব সেমিনারে পাঠায়। সম্পাদক কর্মীর দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগীতা করতে পারেন। এছাড়া লেখনীর দক্ষতা উন্নয়নে সম্পাদক কর্মীকে পরামর্শ দিতে পারেন।


3. Evaluating : 


কর্মীদের দক্ষতা সম্পর্কে তাদের feedback দিতে হবে। এক্ষেত্রে চারটি কাজ উল্লেখযোগ্য :


১. তাদের বর্তমান পারফরমেন্স সম্পর্কে জানতে হবে।
২. ঐসব কর্মী কে চিহ্নিত করতে হবে যাদের বেতন – ভাতা বাড়ানো উচিত।
৩.ঐসব কর্মী কে আলদা করতে হবে যাদের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন।
৪.ঐসব কর্মীকে আলাদা করতে হবে যারা প্রশিক্ষণের যোগ্য।


সমালোচনা বা তিরস্কারের চেয়ে প্রশংসার মাধ্যমে কর্মীরর মধ্যে অধিক সন্তুষ্টি এবং ভাল পারফরমেন্স দেয়ার প্রবণতা কাজ করে।
উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে ব্যবস্থাপনার উপাদান নির্ধারণকে বলা হয়। MBO. Peter Ducker MBO এর ক্ষেত্রে ৩ টি মূল উপাদানের কথা বলেন। 


১. উদ্দেশ্যর ভিত্তিতে দায়িত্ব ভাগ করে দিতে হবে।
২. নিয়মিত ফিডব্যাক দিলে কর্মী নিজের পারফরমেন্সের দিকে নজর দিতে পারে ।
৩. কর্মীরা লক্ষ্য নির্ধারণে ব্যবস্থাপকের সহযোগী হয়।




4.Firing : 


নিয়েগের বিপরীত হল firing বা চাকুরীচ্যুত করা। একজন কর্মীকে চাকুরীচ্যুত করার পূর্বে লক্ষ্য করতে হবে ব্যবস্থাপক তাকে পূর্ণ সহযোগিতা করেছিল কিনা? তার অজ্ঞতা সম্পর্কে উর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাকে জানিয়েছিল কিনা? ঐ প্রতিষ্ঠানের অন্য কোন পদ ঐ কর্মী উপযোগী কিনা?  ব্যবস্থাপক এমন কোন আচরণ করেছে কি না 
। সে এমন কোন কাজ করেছে কিনা যা করা উচিত নয়। প্রথমে তাকে সতর্ক করতে হবে এবং পরবর্তীতে সুযোগ দিতে হবে।


Know More….ম্যানেজারিয়াল গ্রিড কি

লেখক : শিক্ষার্থী
এম.এস.এস (২০ তম ব্যাচ)
যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*