Home > 3rdYear > মিশেল ফুকো । Michel Foucault । cajbd.com

মিশেল ফুকো । Michel Foucault । cajbd.com

মিশেল ফুকো Michel Foucault

মিশেল ফুকো ছিলেন একজন ফরাসি দার্শনিক। তার জন্ম ১৯২৬ সালের অক্টোবরে এবং মৃত্যুবরণ করেন ২৬ জুন ১৯৮৪ সালে।

তিনি একসময় কলেজ দে ফ্রান্সের নিয়মতান্ত্রিক ধারণার ইতিহাস বিভাগের প্রধান ছিলেন। বিভাগের নামকরণ তিনিই করেন। সমাজ ও মানবিক বিজ্ঞান থেকে শুরু করে বিভিন্ন ফলিত এবং পেশাদারি ক্ষেত্রে ফুকোর প্রভাব বিস্তৃত। ফুকো বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠান যেমন শারীরিক ও মানসিক চিকিৎসা শাস্ত্র ফারাগাগ পদ্ধতির পর্যালোচনার জন্য বিখ্যাত। যৌনতার ইতিহাসের উপরও তিনি বেশ কিছু প্রভাবশালী লেখা প্রকাশ করেনন। তার জ্ঞান ও ক্ষমতার লেখার উপর ভিত্তি করে অনেক গবেষক ও চিন্তাবিদ বিভিন্ন ধরনের কাজ করেছেন। পাশ্চাত্য ধারণার ইতিহাস এসব লেখার কেন্দ্রবিন্দু। সর্বোপরি ফুকোর ডিসকোর্স আলাপ বক্তৃতা, কথোপকথন, সন্দর্ভ, বহস, জবানি, সংক্রান্ত কাজের অবদান উল্লেখযোগ্য।

মিশেল ফুকো Michel Foucault

জন্মের সময় তার নাম ছিল পল মিশেল ফুকো। বাবার নাম পল ফুকো যিনি ফ্রান্সের বিশিষ্ট সার্জন ছিলেন। তার বাবার ইচ্ছে ছিল পড়াশোনা শেষ করে তিনি বাবার পেশাকেই বেছে নিবেন। জে সুইট কলেজ সেন্ট স্টানিসলাসে ভর্তির পর তিনি পড়াশোনায় বিশেষ সাফল্য অর্জন করেন। সে সময় পরটারস অঞ্চলটি ফ্রান্সের অন্তর্ভুক্ত ছিল। পরবর্তীতে তা জার্মানির অন্তর্ভুক্ত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর তিনি ফ্রান্সে চলে আসেন। এ সময় তিনি প্রচন্ড হতাশা ও অবসাদ গ্রস্থতায় জুগছিলেন যা একসময় রোগের আকার ধারণ করে। এ জন্য মনোচিকিৎসকের কাছে গিয়েছিলেন। সম্ভবত তখন থেকেই তিনি মনোবিজ্ঞানে বিশেষ আগ্রহী হয়ে ওঠেন । তিনি মূলত দর্শনের ছাত্র হওয়ার পরও মনোবিজ্ঞানে একটি ডিগ্রি করেন। তখনকার সময় ফ্রান্সে এ ধরণের ডিগ্রির উদাহরণ ছিল বিরল। তিনি মনোবিজ্ঞানে ক্লিনিক্যাল আর্মের সাথে কাজ করতে থাকেন। ১৯৫০ সালে ফুকো ফরাসি সমাজতান্ত্রিক দলে যোগ দেন। তখনকার সময় অধিকাংশ নরমালিয়েনরাই এ দলে যোগ দিত। তাঁকে এ দলে যোগ দিতে উৎসাহিত করেছিলেন তার শিক্ষক ও আধ্যাত্মিক প্রশিক্ষক অ্যালতুজার। ১৯৫৩ সালে আবার দল থেকে বের হয়ে আসেন। দল ত্যাগ করার কারণ ছিল স্টালিনের নেতৃত্বে রাশিয়ায় সংগঠিত কিছু আদর্শ বা ফুকোর মনে রেখাপাত করেছিল।

১৯৫৩ সালে ফ্রান্সের লিলে বিশ্ববিদ্যালয় দিয়ে শিক্ষকতা জীবনের শুরু করেন। ১৯৫৪ সালে তিনি সুইডেনের উপশালা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্রান্সের একজন সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি হিসেবে কাজ শুরু করেন। ১৯৫৮ সালে উপশালা ছেড়ে কিছু সময়ের জন্য তিনি পোল্যান্ডের ওয়ারশ বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং জার্মানির হামবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি করেন। এখানেই তার সাথে ডিনিয়েল ডিফের্ট এর সাথে পরিচয় হয়। যার সাথে তিনি জীবনের বাকি সময়টা কাটিয়েছিলেন। তিনি তার দার্শনিক ইমানুয়েল ম্যান্টের রচনাসমূহের উপর একটি বিশ্লেষণী ভাষ্য ও কিছু অনুবাদ করেন।

Know More ………

বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share Now