বৈজ্ঞানিক গবেষণা পদ্ধতির বৈশিষ্ট্য

মো: সাইফুল ইসলাম:


বৈজ্ঞানিক গবেষণা পদ্ধতির বৈশিষ্ট্য 


নিচে বৈজ্ঞানিক গবেষণা র পাঁচটি প্রধান বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করা হলো এই বৈশিষ্ট্যগুলো অন্যান্য গবেষণা পদ্ধতি থেকে আলাদা।




 

  1. Scientific Research is public 
  2. Science is Objective 
  3. Science is Empirical
  4. Science is Systematic and Cumulative 
  5. Science is Predictive  








1. Scientific Research is public 

বৈজ্ঞানিক গবেষণা বিজ্ঞানের অগ্রগতির জন্য প্রয়োজন তথ্যের অবাধ প্রবাহ । গবেষকরা ব্যক্তিগত জ্ঞান, পদ্ধতি প্রভৃতির ওপর নির্ভরশীল হয়ে কাজ করতে পারেন না । বৈজ্ঞানিক গবেষণার তথ্য গুলো অবশ্যই মুক্ত হতে হবে। এবং এক গবেষক অন্যজনের তথ্য উপাত্ত ব্যবহার করতে পারবেন। গবেষকরা অবশ্যই তাদের প্রকাশিত তথ্য, স্যাম্পলিং পদ্ধতি, তথ্য সংগ্রহ প্রভৃতি বিষয়ে সতর্ক থাকবেন।  এবং তথ্য যেখান থেকে ব্যবহার করছেন তার উল্লেখ করবেন ।




2. Science is Objective 


 বৈজ্ঞানিক গবেষণায় গবেষকদের মূল্যায়ন করার অদ্ভুত স্বভাব পরিহার করতে হয় । গবেষণা পরিচালনার সময় সুস্পষ্ট নীতি এবং ধাপগুলো নির্ধারণ করা হয় । এবং গবেষকরা এ নীতি গুলি অনুসরণ করেন।  এখানে আচরণ গুলোকে শ্রেণীবিন্যাস করা হয় যাতে দুই বা তার অধিক স্বাধীন পর্যবেক্ষণ দ্বারা একটি আচরণের ধরনক প্রকাশ করা যায়। 
 যেমন – টিভি বিজ্ঞাপন এর আবেদন সম্পর্কে জানতে গবেষককে অবশ্যই বিজ্ঞাপন চলাকালীন সময় দর্শক কতবার চ্যানেল পরিবর্তন করছে তা পর্যবেক্ষণ করতে পারেন । এটি একটি  Objective পরিমাপ।  কারণ চ্যানেলের পরিবর্তনে যে কেউ রিপোর্ট করতে পারে।



3. Science is Empirical


 Empirical  শব্দটি গ্রিক শব্দ।  যার অর্থ হচ্ছে  Experience । গবেষকগণ তাদের পরিমাপ এবং বিষয় সম্পর্কে সচেতন।   গবেষকরা অবশ্যই তাদের গবেষণার বিষয় সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখেন । এবং তা বিভিন্ন শ্রেণীতে বিভক্ত করতে পারেন । কোন ঘটনার আধ্যাত্মিক এবং অর্থহীন বর্ণনা তারা বাতিল করবেন । 

যেমন – কোন সম্পাদক যদি বলেন যে , পত্রিকার সার্কুলেশন রেট কমে যাওয়ার পেছনে তাদের কোন হাত নেই । এটি ”খোদার ইচ্ছা “  । এ ধরনের ধারণা গবেষক বাতিল করে দিবেন।  কারণ এ ধরনের মন্তব্য স্পষ্ট নয় । এবং তা পরিমাপ অথবা শ্রেণীবিভাগ করা যায় না। 
Read More….গুণগত গবেষণা পদ্ধতির বিভিন্ন ধর



4. Science is Systematic and Cumulative 


কোন গবেষণা একা পরিচালিত হতে পারে না।  এটি নিজে নিজে গড়ে উঠতে বা  পতিত হতেও পারে না । একজন গবেষক সব সময় আগের গবেষণার তথ্য-উপাত্ত, ধারণা তাদের কাজের ক্ষেত্রে ব্যবহার করে থাকেন । বৈজ্ঞানিক গবেষণার প্রথমদিকে ধাপ হলো- উক্ত বিষয়ে বর্তমানে যত গবেষণা হয়েছে তার তথ্য সংগ্রহ এবং সে সম্পর্কে জানা।  এতে করে বর্তমান গবেষণা আগের গবেষণার মতোই সঠিক হয়ে ওঠে । 

এ পর্যবেক্ষণ বিষয়টি জরুরি । কারণ বর্তমান গবেষণার সমস্যা গুলোর ব্যপ্তি ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুলোর সাথে অতীত গবেষণার কি মিল রয়েছে তা জানা যায়।


5. Science is Predictive  

বিজ্ঞান বর্তমানের সাথে ভবিষ্যৎ কে যুক্ত করে । বস্তুত, বিজ্ঞানীরা সবসময় তত্ত্বের উন্নতির চেষ্টা করে।  এছাড়া তারা ব্যক্তির ব্যবহার সম্পর্কে ভালো ধারণা নিতে পারে । একটি তত্ত্বের পূর্ণতা   ঘটনার সঠিক পূর্বানুমান এর উপর নির্ভর করে।  যে  তত্ত্বটি পূর্বানুমান করার ক্ষমতা রাখে এবং যা তথ্য দ্বারা সমর্থন প্রাপ্ত হয় তা অন্যান্য পরিস্থিতিতে ব্যবহার করা যায়।



লেখক : শিক্ষার্থী
৪র্থ বর্ষ( ২১ তম ব্যাচ )
যোগাযোগওসাংবাদিকতা বিভাগ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

 

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*