কনভারজেন্ট মিডিয়া । Convergent Media Writing

Saimum Iftekher 

Convergent Media Writing/কনভারজেন্ট মিডিয়া

 
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যোগাযোগ মাধ্যম এবং ইলেকট্রনিক সাংবাদিকতায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। সামনের দিনগুলোতে এই পরিবর্তন আরো ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা যায়।
 একটা সময় মুদ্রিত সংবাদপত্র, বেতার, টেলিভিশন, টেলিফোন, কম্পিউটারসহ অন্যান্য আরো যতো মাধ্যমের মাঝে যে সীমারেখা বজায় ছিল তা দিনকে দিন মিলিয়ে যেতে শুরু করেছে। ভবিষ্যতে সংবাদক্ষেত্র হবে অডিও, ভিডিও, মুদ্রণ, গ্রাফিক্স এবং ডেটাবেজের সম্পূর্ণ ডিজিটাল সম্মিলন। সামনের বছরগুলোতে নতুন নতুন প্রযুক্তি ও পরিবর্তনশীল বাজারব্যবস্থা পুরো সংবাদ শিল্পকে আগাগোড়া ঢেলে সাজাবে। ভবিষ্যতে টিকে থাকতে হলে সংবাদ মাধ্যমগুলোকে তাই সকল টেকনোলজিকাল প্লাটফর্মে নিজেদের অবস্থান তৈরি করতে হবে।
 
 তাছাড়া এখনকার সংবাদপত্র পাঠকেরা শুধুমাত্র পাঠক হিসেবেই নিজেদের অবস্থা সীমাবদ্ধ রাখতে খুব একটা আগ্রহী নন। তাঁরা চান সংবাদক্ষেত্র প্রদত্ত সংবাদের ব্যাপারে তাদের নিজস্ব মতামত জানাতে তর্ক বিতর্কে অংশগ্রহণ করতে এবং পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া তৈরি করতে। সংবাদক্ষেত্র তাই অডিও, ভিডিও, অনলাইন, মোবাইল ইত্যাদি সকল ধরনের প্ল্যাটফর্মেই নিজেদের প্রস্তুতকৃত সংবাদসমূহ প্রচার করে থাকে। পরবর্তীতে ভোক্তারাই নিজেদের সুবিধামতো ঠিক করে নেন যে তাঁরা কোন মাধ্যমটিকে সংবাদ জানা ও তৎপরবর্তী কর্মকাণ্ডের জন্য বেছে নেবেন।
 এই যে বিভিন্ন ধরনের মাধ্যমগুলোর মধ্যে পার্থক্য কমে আসছে এবং একই প্রতিষ্ঠানে সকল মাধ্যমে সংবাদ প্রচারে আগ্রহী হয়ে উঠছে, একেই বলা হচ্ছে মিডিয়া কনভার্জেন্স (Media Convergence)।
 
ইদানিং Convergent এবং Multimedia এই দুটি শব্দ প্রায়শই একটির পরিবর্তে অপরটি ব্যবহৃত হচ্ছে। কিন্তু অনেক প্রতিষ্ঠান নিজেদের কনভার্জেন্ট দাবি করলেও প্রকৃতপক্ষে তারা প্রিন্ট, ব্রডকাস্ট এবং ওয়েব-এর জন্য একই জিনিস তৈরি করে। শুধুমাত্র ওয়েব ভার্শনের জন্য কিছু আলাদা ফিচার যুক্ত করেই তারা ক্ষান্ত হয়।
 দেখা যায় একই আঙ্গিকেই তৈরি সংবাদ তারা ওয়েব, প্রিন্ট, ব্রডকাস্ট সবখানে প্রচার করে থাকে। কেবল ওয়েবসাইটে চ্যাট, ব্লগ, ছবি গ্যালারি, ভিডিও ইত্যাদি যুক্ত করে সংবাদকে আরো আকর্ষণীয় করে তোলা হয়। কিন্তু কনভার্জেন্ট বা মাল্টিমিডিয়া যাই বলা হোক না কেন, ভিন্ন ভিন্ন প্লাটফর্মে সংবাদ লেখার কাঠামোর মাঝে বেশকিছু সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য রয়েছে যেগুলো অবশ্যই মাথায় রাখা দরকার।
 
কনভারজেন্ট মিডিয়া

 

 


কনভারজেন্ট মিডিয়া র জন্য লেখা (Convergent Media Writing):

মুদ্রণ, সম্প্রচার এবং ওয়েব-এর জন্য সংবাদ তৈরির মৌলিক উপাদানসমূহ আদপে একই। তবে এই উপাদানগুলো সংবাদ হিসেবে ভিন্ন ভিন্ন মাধ্যমে পরিবেশনের সময় কিছু নিয়ম কানুন অনুসরণ করা বাঞ্ছনীয়। এগুলো নিম্নে আলোচনা করা হলঃ
কনভারজেন্ট মিডিয়া
১. তাৎক্ষণিকতা(Immediacy):
 
 সম্প্রচার মাধ্যম এবং ওয়েবের সংবাদ-এর ক্ষেত্রে প্রধান চিন্তার বিষয় হচ্ছে তাৎক্ষণিকতা। এ মুহূর্তে কী ঘটছে? ঘটনার সর্বশেষ অবস্থা কি? সামনে আরো কি ঘটতে পারে?-এইসব ব্যাপারে দর্শক-শ্রোতা-পাঠককে আগাম ধারণা দেয়া।
 এই বিষয়সমূহ একজন কনভারজেন্ট মিডিয়া রিপোর্টারকে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে। তার প্রধান চিন্তা থাকবে এই খবর প্রথমেই ওয়েব কিংবা টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে অডিয়েন্সের কাছে পৌঁছে দেয়া।
 কারণ আজকাল মানুষ একটি খবর জানার জন্য পরের দিনে সংবাদপত্রের জন্য অপেক্ষা করতে রাজি নয়। ততক্ষণে সংবাদটি বর্তমান কাল অতীত কালে রূপ নেবে।
 
মুদ্রণঃ কি ঘটেছিল বা কে কি করেছিল? অতীতকালে লেখা হবে।
 যেমনঃ গতকাল সকালে আমানবাজারের একটি বাড়ির তিনতলায় সিলিন্ডার গ্যাস বিস্ফোরণে একই পরিবারের চারজন দগ্ধ হয়েছে।

সম্প্রচার/ওয়েবঃ এ মুহূর্তে কী ঘটছে বা কে কি করছে? বর্তমানকালে লেখা অধিক যুক্তিসঙ্গত। যেমনঃ আজ বেলা বারোটার দিকে আমান বাজারের একটি বাড়ির তিন তলায় সিলিন্ডার গ্যাস বিস্ফোরণে একই পরিবারের চারজন দগ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে।
 
২. আলাপী ভঙ্গি(Conversational Style): 
 
আমরা সাধারণত যে ভঙ্গিমায় কথা বলি তেমন আলাপী ভঙ্গিতে সহজসরল বাক্যে লিখিত সংবাদ প্রতিবেদন সকল ধরনের মাধ্যমের ক্ষেত্রেই উপস্থাপনযোগ্য। কিন্তু সম্প্রচার মাধ্যমের ক্ষেত্রে এরকম মজলিসে ঢঙে সংবাদ উপস্থাপন অবশ্যকাম্য। এতে করে সংবাদ প্রতিবেদন আকর্ষণীয় ও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। 

মুদ্রণ/ওয়েবঃ পঠনযোগ্য করে লিখতে হবে। পাঠক চাইলে নিজের কল্পনায় ঘটনার দৃশ্যপট সাজিয়ে নিতে পারেন। তবুও আলাপী ভঙ্গিতে হলে ব্যাপারটি আরো সহজ হয়। বাক্য চাইলে দীর্ঘ এবং বিস্তারিত করা যেতে পারে। 
উদাহরণঃ 
 গাড়ি নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান সুজুকি বাজারে আনতে যাচ্ছে চালকবিহীন স্বয়ংক্রিয় গাড়ি। জিপিএস, মানচিত্র ও সেন্সরের মাধ্যমে চালিত এই গাড়ি নিজে নিজেই রাস্তা চিনে যাত্রীদের বহন করে নিয়ে যেতে পারবে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে।

সম্প্রচারঃ চক্ষু এবং কর্ণের জন্য লিখতে হবে। একেবারেই আলাপী ভঙ্গিতে। কারণ এখানে কথা বলা হচ্ছে দর্শকদের সাথে, শোনাতে হচ্ছে শ্রোতাদের। চোখের জন্য লেখা বলতে প্রতিবেদনে বলা গল্পকে সাজাতে হবে দৃশ্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে।
 বেশিরভাগক্ষেত্রে সম্প্রচার মাধ্যমের সংবাদ প্রতিবেদন মুদ্রণ সংবাদপত্রের প্রতিবেদনের চাইতে আকারে ছোট। গড়পড়তা টিভি প্রতিবেদনের দৈর্ঘ্য ১ মিনিট ৩০ সেকেন্ডের মত। তাই বাক্য সংক্ষিপ্ত ও সরল রাখা বাঞ্ছনীয়।
 
 উদাহরণঃ 
 কেমন হয় যদি গাড়িতে উঠেই স্টিয়ারিং হুইলে হাত লাগানো ছাড়াই গাড়ি নিজে নিজে পথ চিনে রাস্তায় চলতে পারে? নিয়ে যেতে পারে আপনার কাঙ্খিত গন্তব্যে? হ্যাঁ! এমনই এক স্বয়ংক্রিয় গাড়ি বাজারে আনতে যাচ্ছে গাড়ি নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান সুজুকি।
 
৩. কর্তৃবাচ্য ব্যবহার(Active Voice):
 
 কর্তৃবাচ্যে বর্ণনা করা হয় কে কি করেছে বা ঘটিয়েছে। কর্মবাচ্যে বর্ণনা করা হয় কোন ঘটনা কার দ্বারা সংঘটিত হয়েছে। সকল মাধ্যমের ক্ষেত্রেই কর্তৃবাচ্য ব্যবহার করা শ্রেয়।
 তবে সম্প্রচার মাধ্যমের ক্ষেত্রে এটি অধিক জরুরি। কারণ এর দ্বারা তাৎক্ষণিকতা প্রকাশিত হয়। কিছু ক্ষেত্রে অবশ্য কর্মবাচ্য অধিক লাগসই দেখায়।
 
 উদাহরণঃ 
কর্মবাচ্যঃ পুলিশ মহিলাটিকে উদ্ধার করল। (কে কি করেছে)
কর্তৃবাচ্যঃ মহিলাটি পুলিশ কর্তৃক উদ্ধারকৃত হলেন। (কার দ্বারা কি ঘটেছে)
ব্যতিক্রম
কর্তৃবাচ্যঃ আসামীকে দশবছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। (এই ক্ষেত্রে আসামীর উপর দৃষ্টিপাত করা অধিক যুক্তিযুক্ত)
কর্মবাচ্যঃ বিচারক আসামীকে দশবছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন।
 (এখানে বিচারকের উপর দৃষ্টিপাত করা হয়েছে। কিন্তু ঘটনার সাথে বিচারক অপেক্ষা আসামীর সম্পৃক্ততা বা লাভ-ক্ষতির হিসেব অধিক।)
 
৪. প্রভাব(Impact): 
 
সম্ভব হলে দর্শক-শ্রোতাদের ওপর ঘটনার কি প্রভাব পড়তে পারে তা সামনে নিয়ে আসা। সম্প্রচার মাধ্যমের ব্রেকিং নিউজের ক্ষেত্রে এটি বেশিরভাগ সময় অসম্ভব হলেও প্রতিবেদন তৈরি সময় অডিয়েন্সের উপর ঘটনার সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে ব্যাখ্যা প্রদান তাদের দৃষ্টি আকর্ষণে বেশ সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এই পদ্ধতি সংবাদপত্রের ক্ষেত্রেও ভালো কাজে দেয়। নিচের লাইনগুলো মুদ্রণ, সম্প্রচার বা ওয়েব যেকোনো প্রকার সংবাদমাধ্যমেই প্রচারযোগ্য- 
 
তথ্য অধিকার আইন প্রণীত হলে তা সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে নাগরিকদের স্বচ্ছ ধারণা লাভে সহায়ক হবে এতে করে দুর্নীতিমুক্ত ও জবাবদিহিতামূলক শাসনব্যবস্থা পথ সুগম হবে।
 
৫. আরোপণ(Attribution): 
 
আরোপণ বলতে বোঝায় সংবাদ প্রতিবেদনে কোন ব্যক্তির বা প্রতিষ্ঠানের ভাষ্য প্রচারের সময় তার/তাদের নাম উল্লেখ করা। মুদ্রণ ও ওয়েব-এর ক্ষেত্রে ভাষ্যদাতার নাম বাক্যের শেষে আসতে পারে। কিন্তু সম্প্রচার মাধ্যমের সংবাদ প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে ভাষ্যদাতার নাম বাক্যের শেষে আসলে মনে হয় যেন প্রতিবেদকই সেই তথ্য বা মতামতের উৎস। কারো ওপর অভিযোগ আরোপ করার মতো বাক্যের ক্ষেত্রে এটি বেশ বিপদজনক হতে পারে। 

মুদ্রণ/ওয়েবঃ ভবনের বেসমেন্ট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে, জানান দমকল কর্মীরা।
সম্প্রচারঃ দমকল কর্মীরা জানান, ভভবনের বেসমেন্ট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।
 
কেমন হবে যদি নিচের বাক্যটি শ্রোতার কাছে পুরোপুরি পরিষ্কার না হয়?
অভিযুক্ত বাংলাদেশী ছাত্র নাফিস নিউ ইয়র্কে জঙ্গি তৎপরতায় জড়িত ছিল, বলছে সিআইএ।
এখানে বিদ্যুৎবিভ্রাট বা কোনো নয়েজের কারণে সিআইএ’র নামটি না শুনলে মনে হবে প্রতিবেদকই নাফিসের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলছে। বরং এই বাক্যটি বলা উচিত এভাবে-
সিআইএ বলছে, অভিযুক্ত বাংলাদেশী ছাত্র নাফিস নিউ ইয়র্কে জঙ্গি তৎপরতায় জড়িত ছিল।
 
৬. বলেছেন বনাম বলেন(said vs. says): 
 
সম্প্রচার মাধ্যমের প্রতিবেদনে তথ্য আরোপণের সময় ‘বলেন’ শব্দটি ‘বলেছেন’ থেকে অধিক তাৎক্ষণিকতা প্রকাশ করে। অবশ্য কোনো কারণে ‘বলেন’ শুনতে অসামঞ্জস্যপূর্ণ শোনালে ‘বলেছেন’ ব্যবহারই শ্রেয়।
 এক সপ্তাহ আগে কেউ কিছু একটা বললে তার উল্লেখ এর সময় বলেন ব্যবহার করলে খুব একটা ভালো শোনায় না। মুদ্রিত সংবাদপত্রের ক্ষেত্রে ‘বলেছেন’ শব্দটি অধিক ব্যবহৃত হয়। কারণ সাধারণভাবে ভাষ্যদাতা অতীতেই উক্তিটি নিজমুখে বলেছেন বলে ধরে নেয়া হয়।
 উদাহরণঃ
মুদ্রণঃ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর মুখপাত্র জানিয়েছেন, দমকল বাহিনীর প্রথম দলটি তিন মিনিটের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
সম্প্রচারঃ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র জানান, দমকল বাহিনীর প্রথম দলটি তিন মিনিটের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
 
৭. দৃশ্য(Visuals):
 
 সংবাদপত্রের ক্ষেত্রে ছবি বা গ্রাফিক্স একটি প্রতিবেদনকে আকর্ষণীয় করে তোলে। সম্প্রচার মাধ্যমের ক্ষেত্রে ঘটনার দৃশ্য বা ছবিতো সবচেয়ে জরুরী জিনিস। এই কনভারজেন্সের যুগে অনেক নিউজ এজেন্সি একাধিক মাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে। এই কারণে একজন প্রতিবেদক যখন একটি প্রতিবেদন লিখছেন, তখনই তাকে পরিকল্পনা করতে হচ্ছে ছবি, অডিও বা ভিডিওসহকারে এই প্রতিবেদনকে প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে কিভাবে আরও আকর্ষণীয়রূপে উপস্থাপন করা যায়।
 
৮. আন্তঃসংযোগ(Interactivity):
 
 সকল মাধ্যমে আজকাল দর্শক-শ্রোতা-পাঠক এবং সংবাদমাধ্যমের মাঝে আন্তঃসংযোগ তৈরি করার চেষ্টা করা হয়। বিশেষ করে সম্প্রচার ও ওয়েব মাধ্যমে এই প্রবণতা বেশি। সংবাদপত্র এবং সম্প্রচার মাধ্যমের ক্ষেত্রে সংবাদ প্রতিবেদনে বা অনুষ্ঠানে দর্শক বা পাঠকদের জন্য প্রশ্নের ব্যবস্থা রাখা হয় এবং উত্তর প্রদানের জন্য ওই সংবাদমাধ্যমের ওয়েব পেইজে যোগাযোগ করতে বলা হয় . ওয়েব মাধ্যমে দর্শক-শ্রোতা-পাঠকদের সাথে সংযোগ স্থাপনের অসংখ্য উপায় রয়েছে। 
যেমনঃ প্রশ্ন, জরিপ, চ্যাট, ব্লগ, পাঠকের পক্ষ থেকে লেখা বা ছবি আহবান, সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা পোস্টের কমেন্ট বক্সে মতামত প্রদান ইত্যাদি। ব্রেকিং নিউজের ক্ষেত্রে সংবাদমাধ্যম সাধারণত নিজে থেকে পাঠকের সামনে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করে না। কিন্তু বাজেট, নির্বাচন ইত্যাদি জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যু সামনে আসলে সংবাদ মাধ্যমসমূহ জনমত জরিপের মতো ব্যাপারে অধিক আগ্রহী হয়ে ওঠে।
কনভারজেন্ট মিডিয়া
 
 

লেখক :   শিক্ষার্থী

৩য়  বর্ষ (২২ তম ব্যাচ)
যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
ইমেইল : saimum.iftekhar@gmail.com

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*