Masters

আধুনিকায়ন তত্ত্ব এর ক্রিয়াবাদী তত্ত্বের ধারণার সহযোগী তিনটি দৃষ্টিভঙ্গি

সানাউল্লাহ হাসান :

আধুনিকায়ন তত্ত্ব

আধুনিকায়ন তত্ত্ব এর ক্রিয়াবাদী তত্ত্বের ধারণার সহযোগী তিনটি দৃষ্টিভঙ্গি

ক্রিয়াবাদী ধারণার ভিত্তি তৈরি হয়েছে টালকট পারমম্ন এর তাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গির উপর নির্ভর করে। টালকট পারমম্ন এই তত্ত্বটি দিয়েছিলেন ১৯৫১ সালে
পারমম্নের তত্ত্বে পরিবর্তনকে সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে অদূর ভবিষ্যতে ঠেলে দেয়া হয়। তাঁর মতে , পরিবর্তনের সাধারণ তত্ত্ব, আমাদের সময়ের মধ্যে আসবে না, সম্ভবত কখনই না। এ কথা বলার ১৫ বছরের মধ্যেই পারমম্ন নিজে পরিবর্তন তথা আধুনিকায়নের ক্রিয়াবাদী তত্ত্ব নির্মাণ করেন। এটি মূলত কাচিসা তত্ত্ব ব্যাখ্যায় ক্রিয়াবাদ ও বিবর্তনবাদের সংশ্লেষণ।
পারমম্নের আধুনিকায়ন ক্রিয়াবাদী দৃষ্টিভঙ্গি কে তিনটি ভিন্ন ভিন্ন পরিপ্রেক্ষিত থেকে দেখার চেষ্টা করেছেন তিন জন গবেষক ও তাত্ত্বিক।

মূলত, এই তিন তাত্ত্বিক সমাজের উন্নয়ন তথা আধুনিকায়ন তথা পরিবর্তন কে তিন জায়গা থেকে ব্যাখ্যা করেছেন মাত্র।

Know More…..মার্শাল ম্যাকলুহান । The Medium Is The Message

দৃষ্টিভঙ্গি তিনটি হল
১. মেরিয়ন লোবি ও নেইল স্মেলসারের সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গি
২. রস্টোর অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি
৩. কোলম্যানের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি

নিচে দৃষ্টিকোণ তিনটির ব্যাখা করা হল সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ : লেভীর অপেক্ষাকৃত আধুনিক সমাজ
ম্যারিয়ন লেভি, একজন প্রধান আধুনিকীকরন তাত্ত্বিক। তিনি ১৯৬৭ সালে আধুনিকায়নের সমাজতাত্ত্বিক ধারার ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন। লেভির আধুনিজায়নের সমাজতাত্ত্বিক ব্যাখ্যার পুরোটাই অল্পমাত্রায় দর্শনগত। বলা যায়, ঘটে যাওয়া বাস্তবতাকে সমকালের আয়নায় দেখার মত।
যেমন – মুক্তিযুদ্ধের সময় ইন্টারনেট থাকলে আমরা কী করতাম।

লেভির মতে, একটি সমাজ আধুনিকতায় প্রবেশ করলো, কি করলো না তা নির্ভর করে পরিশোধিত শক্তি সম্পদ ব্যবহারের সামর্থ্যের উপর।

লেভি আরো বলেছেন, এই যে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলো আছে, কিংবা তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো, সেগুলো যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাপান বা অপরাপর সমজাতীয় আধুনিক দেশগুলোর কাছাকাছি যেতে হয়, তবে ১০০ বছর সময় লাগবে। এই সময় শুধু শক্তি সম্পদ ব্যবহারভিত্তিক হবে না বরং অপরাপর সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো যুক্ত থাকবে

একটি দেশ যখন পরিশোধিত গ্যাস ব্যবহার করতে যাবে,তখন তার সাংস্কৃতিক মানও ধীরে ধীরে বাড়তে থাকবে।চেতনাগত,ভোগগত, সংস্কৃতিগত পরিবর্তনও অাসবে।

এক্ষেত্রে লোভী অনুসরণীয়/ লক্ষ্যমুখী দেশ হিসেবে ধরে নিচ্ছেন যুক্তরাজ্য ও জাপানকে।এবং মধ্যম সারির দেশ হিসেবে ধরে নিচ্ছেন ভারত ও কোরিয়াকে।এই দেশগুলো অাধুনিক দেশের মাপে অনেক এগিয়েছে।তবে এই দেশগুলোকেও অনেক দূর এগুতে হবে।

তারপর উনি অাধুনিকায়ন কিভাবে গড়ে উঠবে সে বিষয়ে কথা বলেছেন।এখানে তিনি আধুনিকায়িত হওয়ার একটি মাধ্যমের কথা উল্লেখ করেছেন।এই মাধ্যম হল সংস্পর্শ।

অর্থাৎ কোন অাধুনিক দেশের সংস্পর্শে অাসলেই কোন দেশের পক্ষে অাধুনিক হওয়া সম্ভব।তুলনামূলকভাবে অাধুনিকায়িত সমাজের এক ধরণের প্রবণতা রয়েছে।একবার যারা এর সংস্পর্শে অাসবে এটি তাদের উপর প্রতিক্রিয়া করবেই।

ক্রিয়াবাদী ধারণার ভিত্তি তৈরি হয়েছে টালকট পারমম্ন এর তাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গির উপর নির্ভর করে। টালকট পারমম্ন এই তত্ত্বটি দিয়েছিলেন ১৯৫১ সালে

এরই ধারাবাহিকতায় একটি ঐতিহ্যবাহী সমাজের তুলনায় অাধুনিক সমাজের যে পার্থক্য বা বৈশিষ্ট্যগুলো দেখা যায় তা হল :

১.সংগঠনের বিশেষায়ন (Specialization of organization)
২.সংগঠনের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা ( Interdependency of organization)
৩.বিনিময়ের সাধারণ মাধ্যম ( Generalized media of exchange and market)
৪.অামলাতন্ত্র ও পরিবার বিবেচনা ( Bureaucracy and family consoderation)
৫.কেন্দ্রীকরণের মাত্রা (Degree of centralization)
৬.গ্রাম -শহর অান্তঃনির্ভরশীলতা (Town-village interdependence)
৭.সমাজে বসবাসরত মানুষের সম্পর্কভেদ ( Relationship emphasis)

উপর্যুক্ত মানদন্ডগুলোর মাধ্যমে লেভী একটি অাধুনিক ও ঐতিহ্যবাহী সমাজের মধ্যে পার্থক্য দেখিয়েছেন।

১.সংগঠনের বিশেষায়ন:-

লেডীর মতে,যেকোন অাধুনিক সমাজে যেসব প্রতিষ্ঠান থাকে,তাদের যেসব দায়িত্ব থাকে,সেখানে বিশেষায়ণের মাত্রা বেশি থাকে।প্রাক অাধুনিক সমাজের বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান কম থাকে।
যেমন : অাধুনিক সমাজে অপরাধের বিচারের জন্য অাদালত ও অাছে ; অাবার দুর্নীতি দমন কমিশন ও অাছে।এটা প্রাক অাধুনিকে থাকবে না।অাধুনিক সমাজে যেখানে কেবল অপরাধ সংক্রান্ত বিষয়ে ৫/৬ টি প্রতিষ্ঠান অাছে,সেখানে ঐতিহ্যবাহী সমাজে একটি মাত্র প্রতিষ্ঠানই এসব বিষয়ে দেখভাল করছে।
বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা অাধুনিক সমাজে বেশি।এদের কাজের পরিমাণ ও বেশি।

২.বিনিময়ের সাধারন মাধ্যম :-

অাধুনিক সমাজে বিনিময় ও ব্যবসা বাণিজ্যের একটি সাধারণ মাধ্যম থাকবে।যেমন : টাকা।কিন্তুু ঐতিহ্যবাহী সমাজে বিনিময়ের মাধ্যম অনেক কিছুই হতে পারে।যেমন : পনির বদলে দুধ পাওয়া।

৩.সংগঠনগুলোর পরস্পর নির্ভরশীলতা :

অাধুনিক সমাজের প্রতিষ্ঠানগুলোর একটির অারেকটির উপর নির্ভরশীলতা অনেক বেশি।প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান একটি অারেকটির পরিপূরক।যেমন : অাইন বিভাগ বিচার বিভাগ পরস্পর সক্রিয় নির্ভরশীল।কিন্তু ঐতিহ্যবাহী সমাজে এরূপ নির্ভরশীলতা কম।একরকম স্বতন্ত্র্যই বলা চলে।

৪.কেন্দ্রীকরণের মাত্রা:-

অাধুনিক সমাজে কেন্দ্রীকরণের মাত্রা বেশি।কিন্তু এতিহ্যবাহী সমাজে কম।

৫.অামলাতন্ত্র ও পরিবারতন্ত্র:-

অাধুনিক সমাজের প্রতিষ্ঠানগুলোতে অামলাতন্ত্রের পরিমাণ বেশি।কারণ,এখানে বিনিময় প্রথা নেই।এটা হয় মূলত প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবস্থাপনার জন্য।প্রতিষ্ঠান বাড়লে, সমন্বয় বাড়বে।এটাই মূল কথা।কোন ধরণের স্বজনপ্রিয়তা থাকবে না।
অপরদিকে, ঐতিহ্যবাহী সমাজে এত সব অামলাতান্ত্রিক জটিলতা থাকবে না।কম প্রতিষ্ঠান,কম ব্যবস্থাপনা,সহজ পরিচালনা।তবে সবকিছুতে এক ধরণের পারিবারিক টান ও স্বজনপ্রিয়তা থাকবে।

৬.শহর-গ্রাম সম্পর্ক:

অাধুনিক সমাজে শহর ও গ্রামের মধ্যে দৃশ্যমান পার্থক্য দেখা যাবে না।এর কারণ হল পণ্য ও সেবার সমপ্রবাহ।
কিন্তু ঐতিহ্যবাহী সমাজে শহর ও গ্রামের পার্থক্য সহজেই বুঝা যাবে।

৭.মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক:-

অাধুনিক সমাজের মানুষের মধ্যে সম্পর্ক হবে যৌক্তিক।এরা সর্বব্যাপী ও বিশ্ব নাগরিক হয়ে উঠবে।প্রত্যেক বিশেষ কাজে পারদর্শী হবে।কাজের ধরণ হবে ভিন্ন।
কিন্তু ঐতিহ্যবাহী সমাজের মানুষের মধ্যকার চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।এসমাজের সম্পর্কগুলো অনেকটা গোত্রভিত্তিক মানুষের মত।

*তত্ত্বের ইতিবাচক দিক / অাধুনিকায়নের সুবিধা:-

লেডী বলেছেন,অাধুনিকায়নের ফলাফল ইতিবাচক।এতে লাভ অাছে।পণ্যের অবাধ প্রবাহ হয়।এছাড়া ঐতিহ্যবাহী সমাজ তার লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য জানে না। কিন্তু অাধুনিক সমাজ তার লক্ষ্য সম্পর্কে সম্পূর্ণ ওয়াকিবহাল।

*অাধুনিকায়নের সমালোচনা:-
অাধুনিকায়নের অন্যতম তাত্ত্বিক লেডী এর সমালোচনা করেছেন কিছু মাত্রায়।এর সংকটের জায়গাটিও উল্লেখ করেছেন।
তিনি বলেছেন,এই যে অামরা তথা সমাজ নানা মডেলের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে,পরিচালিত হচ্ছে,কখনো কখনো সেটা নাও ঘটতে পারে।ফলে,অামরা হতাশ হয়ে পড়ি।

*সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ : স্মেলসারের কাঠামোগত পৃথকীকরণ তত্ত্ব:-
অাধুনিকায়নকে সমাজতাত্ত্বিক জায়গা থেকে দেখেছেন অাধুনিকায়ন স্কুলের অন্যতম তাত্ত্বিক স্মেলসার।তিনি ১৯৬৪ সালে তার তত্ত্বটি উপস্থাপন করেন।

*স্মেলসার তত্ত্বের মূলকথা:-

স্মেলসারের মতে,অাধুনিকায়ন হল কতগুলো স্বতন্ত্র্য কাঠামোর সমন্বয়।প্রত্যেকটি কাঠামোই পৃথক।অনেকগুলো কাঠামোর সমন্বয়ে একটি অনুপম কাঠামো।
প্রত্যেকটি কাঠামোকেই এক্ষেত্রে গুরুত্ব দিতে হবে।একটি ছাড়া অারেকটি চলবে না।প্রত্যেকটির উপস্থিতি থাকা লাগবে।নাহলে অাধুনিকায়ন হবে না।
প্রত্যেকটি স্বতন্ত্র্য কাঠামো অনেকগুলো কাঠামোকে বিবেচনায় নেয়।নতুন কাঠামো তৈরি হওয়া এবং পুরানো কাঠামোকেও বিবেচনায় নিবে অাধুনিকায়ন।
কাঠামোগত পৃথকীকরণের একটি ধ্রুপদী উদাহরণ হল পরিবার।অতীতে ঐতিহ্যবাহী পরিবারগুলো ছিল বৃহৎ ও জটিল।তখন এ পরিবারগুলোর অনেক সদস্যরা শুধু একসাথে বসবাসই করত না, বরং এই পরিবারই উৎপাদন,পুনরোৎপাদন,একে অপরের দেখাশোনা,শিক্ষা-দীক্ষার কাজ ও ধর্মীয় কাজগুলে সাধন করত।
কিন্তু অাধুনিক সমাজে অার বড় পরিবার নেই।পরিবারগুলো ছোট ও ক্ষুদ্র।পরিবারের কাজগুলো এখন বিভিন্ন ভাগে ভাগ হয়ে গেছে।যেমন, এখন পরিবারের বদলে শিক্ষা দানের কাজ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,সদস্যদের কল্যাণের দায়িত্ব রাষ্ট্রের,উৎপাদনের কাজ করে শিল্প কারখানা,ধর্মীয় বিষয়ের দেখাশোনা করে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান।

*সমস্যা:-
স্মেলসার বলেছেন, এই যে পরিবারের দায়িত্বগুলো পৃথক হয়ে গেল।মোটাদাগে পৃথকীকরণ হল।বিভিন্ন দায়িত্ব বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উপর ন্যাস্ত হল।এর ফলে প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাড়ল।এখন এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় ও এর ব্যবস্থাপনাটা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াল।এই ব্যবস্থাপনাটা যদি সঠিকভাবে করা না যায়,তবে বড় সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে।

স্মেলসার যে সমস্যাগুলো তৈরি হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছেন, সেগুলো হল:

ক)মূল্যবোধের দ্বন্ধ ( Issues of values conflict):-
পৃথকীকরণের ফলে সমন্বিত না হয়ে বিভিন্ন ধরণের মূল্যবোধ তৈরি হবে।প্রত্যেকটি অালাদা এবং স্বতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্যের।
যে শিশুটি পরিবারে একধরণের মূল্যবোধের মধ্য দিয়ে বেড়ে উঠছে,সে হয়ত স্কুলে পড়তে গিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন চরিত্র ও মূল্যবোধের সম্মুখীন হতে পারে।একই মানুষের পক্ষে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন মূল্যবোধের সাথে খাপ খাওয়ানো কঠিনও হতে পারে।

খ) অসম উন্নয়ন ( Uneven development):-
উন্নয়নের মাত্রা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানভেদে তারতম্য ঘটতে পারে।কোন প্রতিষ্ঠান হয়ত দ্রুত উন্নতি করছে,কোনটি দেখা যাবে পিছিয়ে অাছে।অথচ দুটো প্রতিষ্ঠানের উন্নতির মাত্রা এক হওয়া দরকার।

যেমন:ব্যাপক শিল্পায়নের ফলে শিল্পের উন্নতি ঘটবে,উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।কিন্তু যারা শিল্পের কারিগর,শ্রমিক,সেই শ্রমিকদের দেখভালের স্বার্থে ট্রেড ইউনিয়ন নাও থাকতে পারে।

এর ফলশ্রুতিতে, যা ঘটতে পারে- শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ,উত্তেজনা,রাজনৈতিক সহিংসতা,জাতীয়তাবাদের বিকাশ,বিদ্রোহ- অভ্যুত্থান,গেরিলাযুদ্ধের মত ভয়াবহ কর্মকান্ডও ঘটতে পারে।

যেমনটা দেখা যায় তৃতীয় বিশ্বের গ্রামগুলোতে।হয়ত দেখা গেল কোন গ্রামে শিল্প কারখানা করতে চাইলেন,কিন্তু গ্রামের মানুষ হঠাৎ করে তা মেনে নাও নিতে পারে।স্মেলসার বলেছেন,এর ফলে কমিউনিস্ট পার্টির উত্থান ও ঘটতে পারে।
উদাহরণস্বরূপ বলতে পারি,হবিগঞ্জের টি-এস্টেটে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরির সরকারি চেষ্টা,তাদের বিক্ষোভ এবং তদসংশ্লিষ্ট ঘটনাবলী।সহিংসতা,বিদ্রোহী গ্রুপের উত্থান।

*পরিশেষে,স্মেলসার বলেছেন,অাধুনিকায়ন কোন সহজ,সরল পথ না।অাধুনিকায়ন করতে গেলে উপর্যুক্ত সমস্যাগুলোর মত নানা সমস্যা অাসতে পারে।বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে তা অহরহ।
তবে, উন্নয়নে অাধুনিকায়নই একমাত্র পথ।সেজন্য পৃথকীকরণের সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে।

Comment here